Home    Source

 
 Home
 Subject Index
 Bukhari Shareef
 Muslim Shareef
 Abu Dawud
 Malik Muwatta
Google
See Arabic as Image 
20) সূরা ত্বোয়া-হা (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা 135
 بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
 শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
  Ayahs:   | 1-15 | 16-30 | 31-45 | 46-60 | 61-75 | 76-90 | 91-105 | 106-120 | 121-135 |
 
  فَيَذَرُهَا قَاعًا صَفْصَفًا  (106
অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।  
"He will leave them as plains smooth and level;  
 
  لَا تَرَى فِيهَا عِوَجًا وَلَا أَمْتًا  (107
তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।  
"Nothing crooked or curved wilt thou see in their place."  
 
  يَوْمَئِذٍ يَتَّبِعُونَ الدَّاعِيَ لَا عِوَجَ لَهُ وَخَشَعَت الْأَصْوَاتُ لِلرَّحْمَنِ فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًا  (108
সেই দিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কথা এদিক-সেদিক হবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না।  
On that Day will they follow the Caller (straight): no crookedness (can they show) him: all sounds shall humble themselves in the Presence of ((Allah)) Most Gracious: nothing shalt thou hear but the tramp of their feet (as they march).  
 
  يَوْمَئِذٍ لَّا تَنفَعُ الشَّفَاعَةُ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَنُ وَرَضِيَ لَهُ قَوْلًا  (109
দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন এবং যার কথায় সন্তুষ্ট হবেন সে ছাড়া কারও সুপারিশ সেদিন কোন উপকারে আসবে না।  
On that Day shall no intercession avail except for those for whom permission has been granted by ((Allah)) Most Gracious and whose word is acceptable to Him.  
 
  يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِ عِلْمًا  (110
তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।  
He knows what (appears to His creatures as) before or after or behind them: but they shall not compass it with their knowledge.  
 
  وَعَنَتِ الْوُجُوهُ لِلْحَيِّ الْقَيُّومِ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًا  (111
সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সামনে সব মুখমন্ডল অবনমিত হবে এবং সে ব্যর্থ হবে যে জুলুমের বোঝা বহন করবে।  
(All) faces shall be humbled before (Him) - the Living, the Self-Subsisting, Eternal: hopeless indeed will be the man that carries iniquity (on his back).  
 
  وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَا يَخَافُ ظُلْمًا وَلَا هَضْمًا  (112
যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না।  
But he who works deeds of righteousness, and has faith, will have no fear of harm nor of any curtailment (of what is his due).  
 
  وَكَذَلِكَ أَنزَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ الْوَعِيدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ أَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًا  (113
এমনিভাবে আমি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি এবং এতে নানাভাবে সতর্কবাণী ব্যক্ত করেছি, যাতে তারা আল্লাহভীরু হয় অথবা তাদের অন্তরে চিন্তার খোরাক যোগায়।  
Thus have We sent this down - an arabic Qur'an - and explained therein in detail some of the warnings, in order that they may fear Allah, or that it may cause their remembrance (of Him).  
 
  فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَى إِلَيْكَ وَحْيُهُ وَقُل رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا  (114
সত্যিকার অধীশ্বর আল্লাহ মহান। আপনার প্রতি আল্লাহর ওহী সম্পুর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরআন গ্রহণের ব্যপারে তাড়াহুড়া করবেন না এবং বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।  
High above all is Allah, the King, the Truth! Be not in haste with the Qur'an before its revelation to thee is completed, but say, "O my Lord! advance me in knowledge."  
 
  وَلَقَدْ عَهِدْنَا إِلَى آدَمَ مِن قَبْلُ فَنَسِيَ وَلَمْ نَجِدْ لَهُ عَزْمًا  (115
আমি ইতিপূর্বে আদমকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। অতঃপর সে ভুলে গিয়েছিল এবং আমি তার মধ্যে দৃঢ়তা পাইনি।  
We had already, beforehand, taken the covenant of Adam, but he forgot: and We found on his part no firm resolve.  
 
  وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى  (116
যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ তোমরা আদমকে সেজদা কর, তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদা করল। সে অমান্য করল।  
When We said to the angels, "Prostrate yourselves to Adam", they prostrated themselves, but not Iblis: he refused.  
 
  فَقُلْنَا يَا آدَمُ إِنَّ هَذَا عَدُوٌّ لَّكَ وَلِزَوْجِكَ فَلَا يُخْرِجَنَّكُمَا مِنَ الْجَنَّةِ فَتَشْقَى  (117
অতঃপর আমি বললামঃ হে আদম, এ তোমার ও তোমার স্ত্রীর শত্রু, সুতরাং সে যেন বের করে না দেয় তোমাদের জান্নাত থেকে। তাহলে তোমরা কষ্টে পতিত হবে।  
Then We said: "O Adam! verily, this is an enemy to thee and thy wife: so let him not get you both out of the Garden, so that thou art landed in misery.  
 
  إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَى  (118
তোমাকে এই দেয়া হল যে, তুমি এতে ক্ষুধার্ত হবে না এবং বস্ত্রহীণ হবে না।  
"There is therein (enough provision) for thee not to go hungry nor to go naked,  
 
  وَأَنَّكَ لَا تَظْمَأُ فِيهَا وَلَا تَضْحَى  (119
এবং তোমার পিপাসাও হবে না এবং রৌদ্রেও কষ্ট পাবে না।  
"Nor to suffer from thirst, nor from the sun's heat."  
 
  فَوَسْوَسَ إِلَيْهِ الشَّيْطَانُ قَالَ يَا آدَمُ هَلْ أَدُلُّكَ عَلَى شَجَرَةِ الْخُلْدِ وَمُلْكٍ لَّا يَبْلَى  (120
অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?  
But Satan whispered evil to him: he said, "O Adam! shall I lead thee to the Tree of Eternity and to a kingdom that never decays?"  
 
  Ayahs:   | 1-15 | 16-30 | 31-45 | 46-60 | 61-75 | 76-90 | 91-105 | 106-120 | 121-135 |